কোকো-৪ উদ্ধারে হামজার সঙ্গে রুস্তম ডিসেম্বর 3, 2009
Posted by bangla71.net in বাংলাদেশ, সংবাদ, সমসাময়িক.Tags: কোকো-৪, coco
trackback
ভোলার লালমোহন উপজেলার নাজিরপুরে লঞ্চ দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে দেশের সবচেয়ে বড় উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম যোগ দিয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রুস্তম বুধবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে। বেলা ১১টার দিকে উদ্ধারকাজ শুরুর প্রুস্তুতি নিয়েছে রুস্তম ও হামজা। এদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং লঞ্চমালিকদের বিচারসহ পাঁচ দফা দাবিতে লালমোহন পৌর এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে লালমোহন স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠন। এতে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশাপাশি এলাকার মানুষও কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে। দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া লঞ্চটির যাত্রী লালমোহনের মো. কামাল সোমবার রাতে থানায় এমভি কোকো-৪ এর মালিক সহ অজ্ঞাত বিশ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার লঞ্চডুবির ২৪ ঘন্টা পর উদ্ধার তৎপরতা শুরু করার অভিযোগে ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান মিয়া এক আদেশ বলে এ সংস্থার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (নৌপরিবহন ও সংরক্ষণ) আবদুর রাজ্জাক, ঊর্ধ্বতন উপ-পরিচালক ও উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার কমান্ডার মো. শাহজাহান খান এবং বিআইডব্লিউটিএর ঊর্ধ্বতন উপ-পরিচালক ও বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। সর্বশেষ লঞ্চ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকৃত লাশের অধিকাংশই হচ্ছে মহিলা ও শিশু।
ভোলাগামী লঞ্চ এমভি কোকো-৪ কোরবানির ঈদের আগের দিন (শুক্রবার) মধ্যরাতে নাজিরপুর ফেরিঘাটের অদূরে তেতুলিয়া নদীতে ডুবে যায়। লঞ্চটিতে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনই লঞ্চ ডোবার কারণ বলে জানা গেছে। বেসরকারি মালিকানাধীন লঞ্চ কোকো-৪-এর ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে সর্বোচ্চ এক হাজার যাত্রী। কিন্তু ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত প্রায় দেড় হাজার যাত্রী নিয়ে ঈদের আগে রাতে লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাট থেকে ভোলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। লঞ্চডুবির ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসন পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি করেছে।





মন্তব্য»
No comments yet — be the first.