পালিত হচ্ছে রবীন্দ্রজয়ন্তী মে 8, 2009
Posted by bangla71.net in জীবনী, বাংলাদেশ, সংস্কৃতি.Tags: ঠাকুর, নোবেল, বিশ্বকবি, রবীন্দ্রনাথ
trackback
১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ (৬ মে, ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
দিবসটি পালনে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের হয়। নগরীর বিভিন্ন পথ প্রদক্ষিণ করে জাতীয় প্রেসক্লাবে এসে তা শেষ হয়।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে যে অবদান রেখেছেন, তা অবিস্মরণীয়। তার বিশাল ও বহুমুখী সৃষ্টিসম্ভার বাংলা ভাষাকে বিশ্বসভায় অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, কবিগুরু প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে বিচরণ করেছেন। তিনি বাঙালির বাতিঘর। বাঙালির আন্দোলনে, সংগ্রামে, দ্রোহে, মননে এবং সৃষ্টিশীলতায় তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণার অন্তহীন উৎস।
বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া রবীন্দ্র স্মরণে পৃথক বাণী দিয়েছেন।
বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব কটি শাখায় রয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উজ্জ্বল উপস্থিতি। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, নাট্যভিনেতা, সংগীত রচয়িতা, সুরকার, গায়ক ও চিত্রশিল্পী।
গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী তিনিই প্রথম এশীয়।




মন্তব্য»
No comments yet — be the first.