jump to navigation

আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এপ্রিল 11, 2009

Posted by bangla71.net in জানা অজানা, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা.
Tags: ,
trackback

আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ

আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ

লাল ইটের দেয়াল দিয়ে ঘেরা চারদিকমাঝখানে প্রবেশ পথ দিয়ে ঢুকতেই সরাসরি চোখ চলে যায় জাতীয় স্মৃতিসৌধের উঁচু মিনারের দিকে আর মনে পড়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের কথামুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী অসংখ্য শহীদদের স্মরণে তৈরী বিভিন্ন স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্যের মধ্যে প্রধানতম সাভারের এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ সব সময় সবার জন্য উন্মুক্তঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে, সাভারের নবীনগরে অবস্খিত এই স্মৃতিসৌধ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে যার ভিত্তি প্রস্তর স্খাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানস্মৃতিসৌধে প্রবেশের পর প্রথমেই চোখেপড়ে শ্বেতপাথরে উৎকীর্ণ একটি লেখাবীরের এ রক্তস্রোত মাতার এ অশ্রুধারা/এর যত মূল্য সে কি ধরার ধূলোয় হবে হারা’-এর একটু সামনেই শ্বেতপাথরের ভিত্তিপ্রস্তরএরপরেই ডানদিকে রয়েছে নজরকাড়া উন্মুক্ত মঞ্চসোজা হেঁটে গেলে মূল স্মৃতিসৌধ১৫০ ফুট বা ৪৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট স্মৃতিসৌধটিতে রয়েছে ৭টি ফলকযার মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি পর্যায়কে ফুটিয়ে তোলা হয়েছেসাতটি পর্যায়ের প্রথমটি সূচিত হয়েছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেএরপর চুয়ান্ন, আটান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুথানের মাধ্যমে অগ্রসর হয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্খপতি খ্যাতনামা স্খপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেনএছাড়া আশেপাশের অন্য সকল নির্মাণ কাজের স্খাপত্য নকশা প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সরকারের স্খাপত্য অধিদপ্তরমূল স্মৃতিসৌধের বাম পাশে রয়েছে সৌধ চত্বর যেখানে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের নাম না জানা দশজন শহীদের সমাধিআর ডান পাশে রয়েছে একটি পুস্পবেদীযেখানে এক সময় শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হতোতিন দিক ঘিরে থাকা কৃত্রিম লেকআর তার পাশাপাশি সবুজের সমারোহ একে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছেউল্লেখ্য শুধু স্মৃতিসৌধ এবং এর প্রাঙ্গনের আয়তন ৮৪ একর এবং সৌধ ঘিরে আছে আরো ২৪ একর জায়গাস্মৃতিসৌধকে পরিবেষ্টনকারী পুরো জায়গাটি সবুজ গাছপালায় পরিপূর্ণ

বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান কিংবা নেতৃস্খানীয় ব্যক্তিরা জাতীয় বীরদের শ্রদ্ধা জানাতে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান এবং সফরের স্মৃতিস্বরূপ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনে রোপণ করেন বিভিন্ন গাছের চারাএসব ছাড়াও স্মৃতিসৌধে রয়েছে হেলিপ্যাড, মসজিদ, অভ্যর্থনা কক্ষ, ক্যাফেটেরিয়াতাছাড়া আছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ সব সময়ই সঙ্গ দেয় এর দর্শকদের

স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে আর শেষ হয় ১৯৮৮ সালের জুন মাসেতিন পর্যায়ে সম্পন্ন হওয়া এই নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে মোট ১৩ কোটি টাকাসাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশের জন্য কোন প্রবেশ মূল্যের প্রয়োজন নেইপ্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে এর প্রবেশ পথ

মন্তব্য»

1. তৈয়ব - এপ্রিল 12, 2009
2. bangla71.net - এপ্রিল 12, 2009

ধন্যবাদ তৈয়ব ভাই লিংকটা শেয়ার করার জন্য